March 23, 2026, 12:36 pm

সংবাদ শিরোনাম
ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার ঝলমলিয়ায় কবরস্থানের রাস্তা বন্ধ করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান :

রাজশাহীর পুঠিয়ার ঝলমলিয়ায় কবরস্থানের (গোরস্থান) রাস্তা বন্ধ করে মার্কেট নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। চলতি বছরের জুলাই মাসের শুরুতে রাস্তা বন্ধ করে মার্কেট নির্মানের কাজ শুরু করেন কানাইপাড়া এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে মাহাতাব আলী সরকার ও তার ভাইয়েরা। ঘটনাটি ঘটেছে পুঠিয়া পৌর সভার ৯-নং ওয়ার্ডের ঝলমলিয়া বাজারের তালতলা নামক স্থানে।এনিয়ে ভুক্তভোগি ঝলমলিয়া বাজারের মতিউর রহমানের ছেলে নজরুল ইসলাম পুঠিয়া পৌরসভায় অভিযোগ দিয়েছেন।অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, পঠিয়া পৌরসভার ঝলমলিয়া বাজারের তালতলা নামক স্থানে নজরুল ইসলামের পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে। নজরুল ইসলামের মৃত নানা তাজ উদ্দিন খাঁনের ছেলে না থাকায় তার মেয়ে অর্থাৎ নজরুল ইসলামের মৃত মা জাহানারা বেগমের একমাত্র উত্তরাধিকারী নজরুল ইসলাম তার নানার রেখে যাওয়া সম্পত্তির মালিক হন। নজরুল ইসলামের নানা জীবিত অবস্থায় ঝলমালিয়া বাজারের তাদের পারিবারিক কবরস্থানের সামনে চার’জনের কাছে ৩৭ শতক জমি বিক্রি করেন। পরে ক্রয়কৃত জমির উপর তিন’জন বাড়ি নির্মান করেন। বাকি আজিজুর রহমানের ক্রয়কৃত জমির পাশ দিয়ে নজরুল ইসলামের পাবিবারিক কবরস্থানে যাতায়াতের জন্য রাস্তা ছিলো। বর্তমানে সেই রাস্তা বন্ধ করে তারা মার্কেট নির্মান করছেন।এ বিষয়ে ঝলমলিয়া বাজারের ব্যবসায়ী ও বীরমুক্তিযোদ্ধা মইনুউদ্দিন আহম্মেদ জানান, বর্তমানে যে জমির উপর মৃত আজিজুর রহমানের ছেলেরা মার্কেট নির্মাণ করছে সেই জায়গাটি শোয়া নয়শতাংশ বিক্রি করেন নজরুল ইসলামের নানা। জমিটির সরজমিনে দেড় থেকে দুই শতাংশ জমি বেশি রয়েছে। সেই বেশি জায়গাটি ছেড়ে দিলেই নজুরুল ও তার পরিবারের সদস্যরা গোরস্থানে যাওয়াতের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।এ ব্যাপারে পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র রবিউল ইসলাম রবি গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, গত বৃহস্পতিবার আমি অভিযোগটি পেয়েছি। সরজমিনে লোক পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেব বলে তিনি জানিয়ে দেন।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২০ জুলাই ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর